1. sagor630@yahoo.com : admi2017 :
  2. yesnayon@gmail.com : Nayon Howladar : Nayon Howladar
  3. thedeshbangla@gmail.com : Desh Bangla : Desh Bangla
সোনারগাঁয়ের আম জনতাই সাংসদ সদস্য খোকার বাহিনী

সোনারগাঁয়ের আম জনতাই সাংসদ সদস্য খোকার বাহিনী

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৪২ বার
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  : নারায়ণগঞ্জের ৩ আসন সোনারগাঁও। লিয়াকত হোসের খোকা এই আসনের জাতীয় সাংসদ সদস্য।জনগণই ক্ষমতার উৎস এবং জনগণের জন্যই রাজনীতি। এই নীতেই রাজনীতি করেন এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা। যার ফলে বিশেষ কোন বাহিনীর প্রয়োজন হয় না তার।সোনারগাঁয়ের সাধারণ জনগণের প্রত্যেকে এমপি খোকার বাহিনী।

কারন এই আসনের সাবেক বিএনপির সাংসদ সদস্য ও মন্ত্রী  অধ্যাপক রেজাউল করিমের বিশেষ বাহিনীর মত ‘‘ওরা ১১জন’’ কিংবা সাবেক আওয়ামীলীগের এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সারের ‘‘সেভেন স্টার’’ বাহিনীর মত নিয়ন্ত্রণকারী কোন বিশেষ বাহিনী নেই তার। এতে করে বৃহত্তর সোনারগাঁবাসী পূর্বের তুলনাই বহুগুন শান্তিতে জীবন যাপন করতে পারছেন বলে এলাকার বিশেষ কিছু ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ জনগণের মুখে উঠে এসেছে।

বাহিনী লিয়াকত
বিএনপির রেজাউল এমপি’র আমলে বিএনপির ত‍্যাগী নেতাকর্মীরা এবং আওয়ামীলীগের কায়সার এমপি’র আমলে আওয়ামীলীগের ত‍্যাগী তৃণমূল নেতাকর্মীরা ঠিকমতো বাড়িতে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতে না পারলেও বর্তমানে খোকা এমপি’র আমলে সকলেই স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে পারেন ছেলে মেয়ে সহ পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন।
জনশ্রুতি আছে সাবেক দুই এমপি’র আমলে ওরা ১১জন এবং সেভেন ষ্টার বাহিনীর জুলুম অত‍্যাচারে দলীয় লোকজনদের অনেকেই স্ব-পরিবারে বাপ-দাদার বসত বাড়ী ছেড়ে অন‍্যত্র বসবাস করেছে , মতের অমিলের কারণে বিনা অপরাধে জেল জুলুমের শিকার হলেও এই মহাজোট সরকারের আমলে উল্লেখিত কোন ঝামেলা ও হয়রানিতে পড়তে হয়নি কাউকে বরং যারা ভীটে মাটি ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অন‍্যত্র বসবাস করতেন তারা সকলেই ফিরেছেন বাড়িতে। পরিবারের সদস‍্যদের নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে বসবাস করছেন সেইসাথে স্বাধীন ভাবে জীবন যাপন ও রাজনীতি করছেন।
আর এই সুস্থ ও সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বহুত‍্যাগ, তিতিক্ষা, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা সইতে হয়েছে বতর্মান  এমপিকে। রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম এলাকায় উন্নয়ন সহ বৃহত্তর সোনারগাঁ বাসীর সুখে দুখের সাথী হয়ে লিয়াকত হোসেন খোকা হয়েছেন আম জনতার জন প্রতিনিধি।
বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও বতর্মান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির মহাজোট সরকারের  আমল মোট কথা তিন ট্রামে নারায়ণগঞ্জ ৩ আসন বৃহত্তর সোনারগাঁ আসনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সহ উপজেলা বাসীর সাথে আলাপ করে যে বাস্তব চিত্র পাওয়া গেছে তা হুবুহু তুলে ধরা হলো।
জনশ্রুতি রয়েছে বিগত বিএনপির সরকারের এমপি ও মন্ত্রী অধ‍্যাপক রেজাউল করিমের আমলে এই আসনের ছিলো ওরা ১১জন এবং এরপর আওয়ামীলীগের এমপি আব্দুল্লা আল কায়সার ওরফে কায়সার হাসনাতের আমলে সেভেন স্টার’ নামে এমপি’র নিজস্ব নিয়ন্ত্রণকারী গ্রুপ থাকলেও বতর্মান মহাজোট সরকারের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার আমলে ঐ ধরনের কোন গ্রুপ নেই।
বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও এমপি অধ‍্যাপক রেজাউল  করিম নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ, থেকে শুরু করে  পৌরসভা, মিল ফ‍্যাক্টরী, শিল্পাঞ্চল গুলোর কাজ কর্ম নিয়ন্ত্রণ করতো ওরা ১১জন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোনারগাঁয়ে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম।
তিনি হয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীও। তার আমলে সোনারগাঁয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন ‘ওরা ১১জন’। এই ১১ জনের মাধ্যমেই সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন সেক্টর নিয়ন্ত্রিত হতো। ওই সময় সাধারণ মানুষ রেজাউল করিমের সঙ্গে সাক্ষাত তো দূরের কথা তার দেখা পাওয়াও ছিল দূরহ ব্যাপার। সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিল ১১ জনের কাছে। এমপি রেজাউল করিম তো দুরের কথা ওই সময় এই ১১ জনের দ্বারে কাছেও ভীড়তে পারেনি সাধারণ মানুষ। তার মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক নিয়ে নানান বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ১/১১ এর সময় তার ১২’শ বিঘা জমি সহ বিপুল সম্পদের খবর মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছিল।
এই সকল অপকর্মের কারণে  বিএনপির দেশব‍্যপী ভরাডুবিরপর পরবর্তী ট্রামে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার মসনদে বসেন আওয়ামীলীগ। বৃহত্তর সোনারগাঁও বাসী ওরা ১১জনের নানা যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে এই আসনের চকলেট বয় ও সুবদ বালক হিসেবে সংসদ সদস‍্য হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী করে আব্দুল্লাহ আল কায়সার ওরফে কায়সার হাসনাতকে।

বাহিনী লিয়াকত

করনায় এমপি খোকা নিজেই খাদ্য সামগ্রী নিয়ে এক গরিব পরিবারে দরজায়

কিন্তু বিধিরবাম, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বৃহত্তর সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও বাসী ভোট দিয়ে ৩ আসনে আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতকে এমপি নির্বাচিত করারপর তিনি তার আগের এমপি  বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও এমপি অধ‍্যাপক রেজাউল  করিমের পথ ধরেই চলা শুরু করেন।
কায়সার হাসনাত নিজের আখের গুছানো সহ প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তারের জন‍্য তার ঘনিষ্ঠ সাতজন লোককে ঐ আসনের সকল কিছু নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেন। ঐ সাত জনের টিমকে সোনারগাঁও বাসী সেভেন ষ্টার নামে আক্ষায়িত করেন।
২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোট দিয়ে বৃহত্তর সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও আসনে আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাতকে এমপি নির্বাচিত করেছিলেন। নির্বাচনের পর বৃহত্তর দুটি থানা এলাকার নিয়ন্ত্রণে কায়সার হাসনাতের তৈরি হয় ‘সেভেন স্টার’ বাহিনী। ওই সময় সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা এমপি কায়সার হাসনাতের সাক্ষাত পায়নি দলের ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীরাও।
সেভেন স্টারের সাতজনই দুটি এলাকার নিয়ন্ত্রক ছিলেন। তার আমলে এমপি কায়সার হাসনাতের ছায়াও পায়নি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তার আমলে নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডও ছিল বেশ চোখে পড়ার মতই। তিনি ভুলেই গিয়েছিলেন তিনি জনগণের সেবক। সোনারগাঁয়ের সাধারণ মানুষতো দূরের কথা  নেতাকর্মীদের ফোনটিও রিসিভ করতেন না কায়সার।

এরপর আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির সমন্বয়ে গঠিত হয় মহাজোট। রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আসেন মহাজোট। আর নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস‍্য হন লিয়াকত হোসেন খোকা।

বাহিনী লিয়াকত
জাতীয়পার্টির কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা। একই সঙ্গে তিনি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যও। দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির। তিনি
নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁও) আসনে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরীক দল জাতীয়পার্টির দ্বিতীয় বারের মত সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালে তিনি সোনারগাঁয়ে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় এমপি নির্বাচিত হোন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্ধিতা করে দ্বিতীয় বারের মত এমপি নির্বাচিত হোন।
এদিকে সোনারগাঁও পৌরসভার আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এমপি খোকার সহধর্মিনী ডালিয়া লিয়াকতকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছেন পৌরসভার বর্তমান মেয়র সাদেকুর রহমান ভুঁইয়া ও সাবেক মেয়র সাইদুর রহমান মোল্লা। মুুলত পৌর নাগরিক কমিটির প্রার্থী হিসেবে ডালিয়া লিয়াকতকে নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এই নাগরিক কমিটিতে রয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারাই মুলত ডালিয়া লিয়াকতকে মেয়র নির্বাচিত করার জন্য নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।
এদিকে স্থানীয়রাও আর জানিয়েছেন, এখানে কেউ এমপি হলে অঢেল সম্পদের খবর বের হয় অথচ দ্বিতীয় নির্বাচনে নিজের মার্কেটের দোকান বিক্রি করে নির্বাচনী খরচ যোগান দিয়েছিলেন এমপি খোকা। যা সোনারগাঁয়ের মানুষজনও জানেন। অথচ তিনি এর আগে ৫টি বছর এমপি হিসেবে ছিলেন এই আসনেই। একজন এমপির আর্থিক এমন দৈনদশা থাকলেও সোনারগাঁয়ের আমজনতার মাঝে তিনি একজন বিরাট মনের মানুষ, একজন সাধারণ মানুষ। সেই দিক দিয়ে জনতার মাঝে তিনি স্বচ্ছলতা অর্জন করেছেন।
সোনারগাঁও পৌরবাসীর দাবি- লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি হওয়ার পর সোনারগাঁয়ের মানুষ অন্তত অশান্তিতে ছিলেন না। কোন মাধ্যম ছাড়াই যে কোন আমজনতা এমপি খোকার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারেন। জনগণ তার কাছে যাওয়ার আগে তিনিই জনগণের কাছে দৌড়াচ্ছেন। হাট ঘাট বাজার রাস্তা গ্রামগঞ্জে তিনি ঘুরছেন। কখনও চায়ের দোকানে বসে আমজনতার সঙ্গে চা পান করছেন। আড্ডা দিচ্ছেন সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে। কেউই তার কাছে ছোট কিংবা বড় নয়। সকলকে দেখছেন তিনি সমানচোখে। দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা তিনি সোনারগাঁয়ের মানুষের পাশে কাটাচ্ছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।
কেউ সমস্যা নিয়ে আসছেন আর তার সমাধান করছেন। মুলত এসব বিষয়গুলো এমপি খোকার জনপ্রিয়তা সাধারণ মানুষের মাঝে বাড়িয়েছে। রাজনৈতিকভাবে রাজনৈতিক বিরোধীতার জন্য অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তার বিরোধীতা করলেও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন আমজনতার এমপি হিসেবে সোনারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন।

গত মার্চ মাস থেকে বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ত্রাণকর্তা হিসেবে আভির্ভূত হয়েছিলেন এমপি খোকা।

সকাল দুপুর বিকেল সন্ধ্যায় রাতে মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন এমপি খোকা নিজ হাতে। যে সব পরিবারগুলো কারো কাছে হাত পাততে পারেনি তাদের ঘরে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন এমপি খোকা, কখনও
নিজ হাতে কখনওবা তার লোকজনের মাধ্যমে। সার্বক্ষনিক খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য তিনি হটলাইন সেন্টার খুলেছিলেন। যেখানে ফোন করলেই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়ে আসতো।
রোগীর চিকিৎসার সুবিধার্থে তিনি সার্বক্ষনিক এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন। করোনাকালে তার এমন ভুমিকার ব্যাপক প্রসংশা করছেন পৌরবাসী।
বাহিনী লিয়াকত
আবার এসব কারনেই মুলত বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও ঝুঁকছেন তার নেতৃত্বের দিকে। এমপি খোকার এমন সব বিষয়গুলো সামনের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ডালিয়া লিয়াকতের জন্য বেশ ভাল ভুমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন পৌরবাসী।
এখানে এমপি হিসেবে লিয়াকত হোসেন খোকা আসার পর উন্নয়ন যেটুকুই হোক না কেন সোনারগাঁয়ে রাজনৈতিক কোন সংঘাত হয়নি, বিশৃঙ্খলা হয়নি। সাধারণ মানুষ অশান্তিতে ছিলেন না। এসব বিষয়গুলোও ভোটের মাঠে ডালিয়া লিয়াকতের পক্ষে কাজ করবে।
এমপি খোকার প্রতি এসব কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট হয়েই ডালিয়া লিয়াকতের পক্ষে কাজ করছেন বলে তাদের দাবি।
তবে ভোটের মাঠে ডালিয়া লিয়াকতের ঘোষণার পর থেকেই ক’জন শিল্পপতি সহ আওয়ামীলীগের একটি  অংশ শুরু করেছে এমপি খোকার বিরুদ্ধে নানা মহা চক্রান্ত সহ অপপ্রচার।
সি আই পি শিল্পপতিরা হিন্দি ছবির খলনায়কদের মতো দাতা সেজে তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি বহাল রাখতেই এই সকল আপকর্মে লিপ্ত রয়েছে বলে সোনারগাঁওয়ের আম জনতা সহ অভিজ্ঞ মহল মত ব‍্যাক্ত করে বলেছেন, যদি সুষ্ঠ প্রভাব ও পেশীশক্তি মুক্ত ও নিরেপেক্ষ ভাবে পৌর নির্বাচন হয় তাহলে আম জনতার প্রতিনিধিই বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।

One response to “সোনারগাঁয়ের আম জনতাই সাংসদ সদস্য খোকার বাহিনী”

  1. Kochi says:

    সুন্দর হয়েছে ধন‍্যবাদ সাগর ভাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 AmaderBarguna.Com